সবুজ সংকেত পেলেই ফেসবুক খুলে দেয়া হবে: জুনাইদ আহমেদ পলক

By -

za palak

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ‘সিগন্যাল/সবুজ সংকেত’ পেলেই ফেসবুকসহ বর্তমানে বাংলাদেশে ব্লক থাকা সব সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ২৮ নভেম্বর শনিবার সিলেটে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join 1,496 other subscribers

প্রথম আলো জানাচ্ছে, জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “অপব্যবহার রোধেই সাময়িকভাবে এগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে এটি সাময়িক, সবুজ সংকেত পেলেই এসব মাধ্যম খুলে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে সরকার সচেতন রয়েছে।”

বিডিনিউজ২৪ লিখছে, মিঃ পলক আরও বলেন, “সাইবার অপরাধ রোধে ‘ডিজিটাল সিকিউরিটি’ আইনের খসড়া তৈরির কাজ চলছে। শিগগির তা কেবিনেটে পাঠানো হবে।”

নিশ্চয়ই জানেন, বাংলাদেশে ১৮ নভেম্বর বুধবার থেকে “নিরাপত্তার স্বার্থে” সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক মেসেঞ্জার সরকারি নির্দেশে সাময়িকভাবে ব্লক/বন্ধ করে রাখা হয়েছে। দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বিটিআরসির নির্দেশনা পেয়ে উল্লিখিত সেবাগুলোতে এক্সেস সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে যা পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ব্লক করে রাখা হবে।

আজ ২৮ নভেম্বর শনিবারও ফেসবুক, ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক মেসেঞ্জারে সরাসরি লগইন করা যাচ্ছেনা বাংলাদেশ থেকে।

এর আগে, কবে নাগাদ উক্ত সেবাগুলো দেশে পুনরায় খুলে দেয়া হবে সেই প্রসঙ্গে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছিলেন, “নিরাপত্তার কারণে সাময়িক এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ অবস্থার পরিবর্তন হলেই এগুলো উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।”

ফেসবুক সহ বেশ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম বন্ধ রাখার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার এক পর্যায়ে ২৬ নভেম্বর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এক খোলা চিঠিতে লিখেছেন “দেশের মানুষের জীবনরক্ষার চেষ্টা করার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী”। বোঝাই যাচ্ছে তিনি অনেকটা অভিমান থেকেই এই কথাটি বলেছেন।

তারানা হালিম লিখেছেন “যারা জনস্বার্থে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার বন্ধ রেখে সাময়িক অসুবিধা মেনে নিয়ে নাশকতাকারীদের খুঁজে বের করতে, নাগরিকের জীবন বাঁচাতে সরকারকে সহযোগিতা করেছেন তাদের এই দেশেপ্রেমের জন্য অকুণ্ঠ সাধুবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। যারা ভিন্ন পথে এসব মাধ্যম ব্যবহার করছেন, তাদের নিজেদের আইডি হ্যাক হতে পারে, এই সতর্কতাও দেওয়া প্রয়োজন। যারা আমাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ ও তিরস্কার করেছেন, তাদের কাছে ব্যক্তি আমি জীবন বাঁচাবার চেষ্টা করার জন্য, রাষ্ট্রের একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে জননিরাপত্তা বিধানে ভূমিকা পালনে গর্বিত হয়েও ক্ষমাপ্রার্থী।”

ইতোমধ্যেই অনেকেই প্রক্সি সার্ভিস/ভিপিএন এর মাধ্যমে মোবাইলে ও কম্পিউটারে ফেসবুক সহ ব্লক করে রাখা সকল সেবা ব্যবহার করছেন। প্রক্সি সার্ভিস ব্যবহার করে এমন মোবাইল ব্রাউজার যেমন অপেরা মিনি, ইউসি ব্রাউজার কিংবা কম্পিউটারের জন্য টর ব্রাউজারে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তির মাধ্যমে যেকোনো দেশ থেকে ব্লক করে রাখা অনলাইন সেবা ব্যবহার করা যায়।

 

তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলোবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ছবি নেয়া হয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এর ফেসবুক পেইজ থেকে।

 

Comments

Leave a Reply