আঙুলের ছাপ নিয়ে সিম নিবন্ধন শুরু

By -

sim mobile

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের সিম কার্ড নিবন্ধনের জন্য বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রয়োগ শুরু হয়েছে। ১৫ নভেম্বর ২০১৫ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই পদ্ধতি ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। এ পদ্ধতিতে গ্রাহকদের ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ছাড়াও আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করে রাখা হবে।

দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি সংবাদ মাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানাচ্ছে, ২০১২ সালের আগে কেনা সকল মোবাইল সিম কার্ডের জন্যই আঙুলের ছাপ দিয়ে সংযোগটি পুনঃনিবন্ধন করাতে হবে। ২০১২ সালের পরে কেনা সিমকার্ডের ক্ষেত্রে যাদের তথ্য সঠিকভাবে দেয়া নেই কিংবা নতুন গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সংযোগ নিবন্ধন (বা পুননিবন্ধন) করাতে হবে।

এ ব্যাপারে কথা বলেছিলাম গ্রামীণফোনের কাস্টমার কেয়ারে। অপারেটরটির এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন, যারা ইতোমধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জন্ম তারিখ ও নাম লিখে ১৬০০ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েছেন তারা সহ সকল গ্রাহকদেরকেই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন করাতে হবে।

আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, ১৬০০ নম্বরে এসএমএস পাঠানোর পরেও এখন আবার নতুনভাবে কেন নিবন্ধন করাতে হবে। আসলে সিম নিবন্ধনের পুরো প্রক্রিয়ার একটি অংশ ছিল এসএমএস পাঠানো, যা ১৫ নভেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে চলছিল। এখন পরবর্তী ধাপগুলোও সম্পন্ন করতে হবে।

মোবাইল অপারেটরগুলো এসএমএস পাঠিয়ে গ্রাহকদের বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ) পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের জন্য বলবে। যাদের সিম কার্ড সঠিকভাবে নিবন্ধন করা নেই তারা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বায়োমেট্রিক তথ্য দিয়ে সিম নিবন্ধনের জন্য ২০১৬ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময় পাবে। যাদের সিম সঠিকভাবে নিবন্ধন করা নেই তারা এর মধ্যে মোবাইল অপারেটর কোম্পানির কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে আঙুলের ছাপ দিয়ে সিম নিবন্ধন না করালে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক্ষেত্রে অনিবন্ধিত সিমগুলো প্রথমে কয়েক ঘন্টার জন্য বন্ধ রাখা হবে। নিয়মিত এভাবে বন্ধ রাখতে রাখতে এক পর্যায়ে তা আরও বেশি সময়ের জন্য অকেজো করে দেয়া হবে। এরপরও নিবন্ধন না করালে সিম বন্ধ হয়ে যাবে।

Comments

Leave a Reply