সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অজান্তেই যেসব শর্ত মেনে নিচ্ছে সবাই!

termsফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, লিঙ্কড-ইন সহ অন্যান্য সোস্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করার সময় সবাইকেই সাইটগুলোর টার্মস অব সার্ভিসেস বা সেবার শর্তসমূহ মেনে নিতে হয়। কিন্তু এসব শর্তে কী লেখা আছে তা পড়ে দেখে কয়জন?

আপনার অজান্তেই আপনি সামাজিক যোগাযোগের এসব সাইটকে এমন সব ব্যাপারে অনুমতি দিয়ে রেখেছেন, যা জানা থাকলে আপনি হয়ত অন্যভাবে এগুলো ব্যবহার করতেন। চলুন জানি এরকমই কিছু নীতিমালা যা আপনি ইতোমধ্যেই মেনে নিয়েছেন!

১. ফেসবুকে আপনি যেসব ছবি ও ভিডিও আপলোড করেন, সেগুলো যদি আপনার কপিরাইট করা মেধাসম্পদও হয়ে থাকে, তারপরেও ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এই ছবিগুলো আপনার পুনরায় অনুমতি ছাড়াই যেকোনো কাজে ব্যবহার করতে পারবে! ফেসবুকে রেজিস্ট্রেশনের সঙ্গে সঙ্গেই এই অধিকার আপনি ফেসবুককে দিয়ে রেখেছেন। অবশ্য এরপরেও আপনি এসব ছবি ও ভিডিওর মালিকানা সংরক্ষণ করবেন। তবে যতক্ষণ আপনার ছবিটি ফেসবুকে থাকবে, ততক্ষণ এটি ব্যবহারের অধিকারও ফেসবুক সংরক্ষণ করবে। শুধু ফেসবুক না, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম ও গুগলের একই নীতি!

২. ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী আপনি আপনার প্রোফাইলের কন্টাক্ট ইনফরমেশন সর্বদা আপডেটেড রাখবেন। অর্থাৎ, ফেসবুক চায়, আপনি সব সময়ই আপনার সক্রিয় ফোন নম্বর এবং ইমেইল এড্রেস ফেসবুক প্রোফাইলে যুক্ত করে রাখুন।

৩. গুগল ও টুইটার আপনার সকল আইপি এড্রেস, ব্রাউজার, অপারেটিং সিস্টেম, মোবাইল ক্যারিয়ার, ডিভাইস, অ্যাপ্লিকেশন আইডি, লোকেশন, কুকি প্রভৃতি রেকর্ড করার অনুমতি নিয়ে রেখেছে।

৪. টুইটার ‘মজুতদারি’তে বিশ্বাস করেনা। আপনি যদি একটি ইউজারনেম দখলের উদ্দেশ্যে সেই নামে একাউন্ট খুলে রেখে দেন, তবে ৬ থেকে ৯ মাস নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকার পর টুইটার নিজেই এই ইন্যাক্টিভ একাউন্টটি মুছে ফেলবে।

৫. লিংকডইনের শর্তানুযায়ী, আপনি প্রকৃতপক্ষে যাদেরকে চেনেন না, তাদেরকে আপনার নেটওয়ার্কে অ্যাড করতে পারবেন না।

৬. কোনও সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটই আপনাকে অসত্য বলার অনুমতি দেয়না।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join 4,949 other subscribers

Comments