অ্যাংরি বার্ডসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর তথ্য হাতাচ্ছে গোয়েন্দারা?

angry birds imgনিউইয়র্ক টাইমসের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন স্মার্ট ডিভাইসে ইনস্টলকৃত অ্যাপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সরকারী গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তথ্য সংগ্রহ করছে। এই তালিকায় উঠে এসেছে জনপ্রিয় গেম ‘অ্যাংরি বার্ডস’ এর নাম, যেটি বিশ্বব্যাপী ১.৭ বিলিয়নের বেশি ডাউনলোড সংখ্যা অতিক্রম করেছে।

অ্যামেরিকার ন্যাশনাল সিক্যুরিটি এজেন্সি (এনএসএ)’র লিকড ডকুমেন্টে দেখা যায়, এতে বিভিন্ন মোবাইল এপ্লিকেশন থেকে তথ্য হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। এসব তথ্যের মধ্যে ব্যবহারকারীর অনলাইন ব্রাউজিং হিস্ট্রি, কনটাক্টস, লোকেশন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

এনএসএ এক স্টেটমেন্টে বলেছে, তারা সংগ্রহীত ডেটার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কতিপয় নির্দিষ্ট বিদেশি ইউজারের তথ্য পেতেই আগ্রহী। তবে তারা ঠিক কী পরিমাণ ডেটা কালেকশন করেছে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

এসব তথ্য বিভিন্ন প্রকার ম্যাপিং, গেমিং, সোশ্যাল মিডিয়া প্রভৃতি ধরণের অ্যাপ থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে। মোবাইল ইন্টারনেট ট্র্যাফিক ও টেক্সট মেসেজের ডেটার গতিরোধ করে এটি সম্ভব হয়েছে।

এই তালিকায় পড়ছে গুগল ম্যাপস, ফ্লিকার, মুভি ভিত্তিক সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ফ্লিক্সটার, ফেসবুকের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অ্যাপ প্রভৃতি।

ইতোমধ্যেই অ্যাংরি বার্ডস গেম নির্মাতা কোম্পানি রোভিও ডেটা পাচারের সম্ভাবনা নাকোচ করে দিয়েছে। তারা বলেছে তাদের গেমের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি এন্ড ইউজারদের কোনো তথ্য সরকারের সাথে শেয়ার করেনা। কিন্তু অ্যাড সাপোর্টেড ভার্সনে থার্ড পার্টি অ্যাড নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্পাই এজেন্সি ডেটা সংগ্রহ করলেও করতে পারে বলে উল্লেখ করেছে রোভিও।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join 7,104 other subscribers

[★★] প্ৰযুক্তি নিয়ে লেখালেখি করতে চান? এক্ষুণি একটি টেকবাজ একাউন্ট খুলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে পোস্ট করুন! techbaaj.com ভিজিট করে নতুন একাউন্ট তৈরি করুন। হয়ে উঠুন একজন দুর্দান্ত টেকবাজ!

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.