সিভি লেখার নিয়ম

মূলত চাকরির জন্য আবেদন করতে সিভি’র দরকার হয়। কিন্তু কিভাবে সিভি তৈরী করতে হয়, এ বিষয়ে আমরা অনেকেই জানিনা। চলুন জেনে নেওয়া যাক, সিভি’র কাজ থেকে শুরু করে সিভি লেখার নিয়ম পর্যন্ত, সিভি সম্পর্কে সকল খুঁটিনাটি।

সিভি কি – What is a CV?

সিভি (CV) এর পূর্ণ রূপ হলো Curriculum Vitae যা হচ্ছে ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ। এর বাংলা অর্থ দাঁড়ায় জীবনের ঘটনাক্রম বা জীবনবৃত্তান্ত। সিভি হলো পেশাগত ও শিক্ষাগত জীবনের সকল তথ্যের একটি সংগ্রহ।

সিভি ও রেজ্যুমে এর পার্থক্য – CV vs Resume

সাধারণভাবে বলতে গেলে সিভি ও রেজ্যুমে অনেকটা একই জিনিস। যেহেতু সিভি (CV) ও রেজ্যুমে (Resume) উভয়েই একজন ব্যক্তির শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, দক্ষতা, কৃতিত্ব, ইত্যাদির উল্লেখ থাকে; এই ক্ষেত্রে উভয়ের উদ্দেশ্য একই বলা চলে।

তবে সিভি ও রেজ্যুমে এর মধ্যে কিছু পার্থক্য বিদ্যমান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন অংশে এই দুইটিকে আলাদা চোখে দেখা হয়। রেজ্যুমে (résumé) সাধারণত এক পেজ এর হয়ে থাকে। এটি একটি ফরাসি শব্দ, যার বাংলায় মানে দাঁড়ায় সারাংশ।

অন্যদিকে সিভি একজন ব্যক্তির জীবন বৃতান্ত সম্পূর্ণভাবে তুলে ধরে। যার ফলে রেজ্যুমে এর চেয়ে সিভি’র দৈর্ঘ্য বেশি হয়ে থাকে। সিভি কয়েক পৃষ্ঠাও হতে পারে। তবে রেজ্যুমে সাধারণত এক পেজেরই হয়ে থাকে।

পেশা ও শিক্ষা সম্পর্কিত উদ্দেশ্যে সিভি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অন্যদিকে রেজ্যুমে সাধারণ সব ব্যাপারে ব্যবহৃত হয়। আবার ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশসহ অনেক দেশে বিভিন্ন সেক্টরে সিভি ও রেজ্যুমে’কে একই বলে গণ্য করা হয়।

সিভি কেন গুরুত্বপূর্ণ

চাকরির আবেদনের জন্য সিভি জমা দেওয়া হয়ে থাকে। আপনাকে চাকরির ইন্টারভিউতে ডাকার আগে কিন্তু জুরি বোর্ড আপনার সিভি দেখেই আপনার যোগ্যতাকে বিবেচনা করবে। অর্থাৎ উক্ত পদের জন্য সিভি আপনার যোগ্যতার পরিচয় হিসেবে কাজ করে।

একজন আবেদনকারী হিসেবে চাকুরিদাতার সাথে আপনার পরিচয়ের প্রথম মাধ্যম কিন্তু সিভি। আপনি যতোই অভিজ্ঞ হন না কেনো, আপনার সিভি যদি চাকুরিদাতার নজড়ে পড়তে ব্যার্থ হয়; সেক্ষেত্রে উক্ত চাকরির ইন্টারভিউতে আপনাতে অদৌ ডাকা হবে কিনা, সেটি নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। তাই চাকুরি পাওয়ার ক্ষেত্রে সিভি আকাশপাতাল ব্যবধান তৈরিতে সক্ষম।  

সিভি লেখার আগে

সিভি কেন এতো গুরুত্বপূর্ণ, সেটা তো জানলাম। এবার জানতে হবে কিভাবে সিভি লিখতে হয় সে সম্পর্কে। তবে সিভি লেখার আগে সিভি লেখার কিছু নিয়ম-কানুন সম্পর্কে জেনে নিই চলুন।

ধরুন, আপনি কোনো একটি ভালো সিভি খুঁজে পেলেন, যেটি আপনার অনেক পছন্দ হয়েছে। তবে পছন্দ হয়েছে বলে উক্ত সিভি হুবহু কপি করে আপনার নিজের বলে চালিয়ে দেওয়াটা সম্পূর্ণ বোকামি হবে। চাকরির ক্ষেত্রে যেহেতু অন্য দশজনের চেয়ে আপনাকে আপনার সিভি-ই আলাদা করতে পারে, তাই আপনার সিভি অবশ্যই ইউনিক বা অনন্য হওয়া জরুরি।

সিভি যেহেতু পেশা বা ক্যারিয়ার সম্পর্কিত কাজেই ব্যবহৃত হয়, তাই সিভি’র ক্ষেত্রে রংগিন কাগজ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। সবসময় সাদা পৃষ্ঠায় সিভি লেখাই উত্তম। এছাড়াও কম্পিউটার প্রিন্টেড সিভি’র ক্ষেত্রে সহজেই পড়া যায় এমন ফন্ট ব্যবহার করুন। তবে সিভির মধ্যে বিভিন্ন টাইপোগ্রাফি বা ক্লিপ-আর্টের ক্ষেত্রে সুচিন্তিতভাবে রং ব্যবহার করতে পারেন।

সিভি’র ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পুরো সিভির প্রতিটি শব্দই আলাদা করে চেক করা। সিভিতে সামান্য একটি বানান বা ব্যাকরণগত ভুলের জন্যও আপনার স্বপ্নের চাকরি হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। সিভিতে এসব ছোটখাটো ভুল চাকরিদাতাগণ চাকরির ক্ষেত্রে গাফিলতির লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন।

বোনাসঃ পিসিতে ডিলিট হওয়া ফাইল ফিরিয়ে আনার উপায়

সিভিতে আপনার সম্পর্কে উল্লেখকৃত ব্যক্তিগত তথ্য যেমনঃ নাম, জন্মতারিখ, বাবা-মা এর নাম, ইত্যাদি অবশ্যই আপনার একাডেমিক সার্টিফিকেটের সাথে মিল রেখে লিখবেন। এছাড়া সিভিতে আপনার নামের পুর্বে Mr বা Mrs লেখার কোনো দরকার নেই।

অনেকেই সিভির উপর শিরোনাম হিসাবে Resume / Bio-data / CV / Curriculum Vitae ইত্যাদি লিখে থাকেন। এই ধরনের লেখা সিভির ক্ষেত্রে বর্জন করুন। কারণ এটা যে আপনার সিভি তা এই ডকুমেন্ট নিজেই বলে দিচ্ছে।

সিভি তে প্রদত্ত ইমেইল এড্রেস যথাসম্ভব প্রফেশনাল মানের রাখার চেষ্টা করুন। যেমনঃ [email protected] এর চেয়ে [email protected] ইমেইলটি অধিক প্রফেশনাল দেখায়। এছাড়াও সিভিতে একাধিক ফোন নাম্বার প্রদান করা থেকে বিরত থাকুন। সবসময় খোলা থাকে, আপনার এমন একটি নাম্বার প্রদান করুন।

সিভিতে অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করা থেকে বিরত থাকুন। যেমনঃ চাকুরি পাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার পরিবারের মোট সদস্য সংখ্যার তথ্যটি সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়। তাই শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় তথ্যসমুহ সিভিতে রাখুন। এছাড়াও যে চাকরিতে এপ্লাই করছেন, সেটি আংগিকেও সাজাতে পারেন আপনার সিভি।

আরো জানুনঃ ফ্রিল্যান্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে অনলাইনে আয় করবেন

অনেকেই সিভিতে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে থাকে। জব সার্কুলারে যদি নির্দিষ্ট করে এটা চাওয়া না হয় তাহলে আপনি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নাম্বার সিভিতে না দিলেও ক্ষতি নেই। বরং এরকম অত্যন্ত ব্যক্তিগত তথ্য যেচে পড়ে না দেয়াই ভালো।

উল্লিখিত বিষয়সমুহ ছাড়াও চাকরির সিভিতে রেফারেন্স হিসেবে উক্ত চাকরির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো ব্যক্তিকে যুক্ত করার চেষ্টা করুন। এছাড়াও কাউকে রেফারেন্স হিসেবে যুক্ত করার আগে, অবশ্যই তার কাছ থেকে অনুমতি চেয়ে নিতে ভুলবেন না। তবে হ্যাঁ, আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন (বা একাধিক) শিক্ষক হতে পারেন আপনার জন্য আদর্শ রেফারার।

সিভিতে আপনার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা সম্পর্কে ভুল বা অসত্য কোনো তথ্য প্রদান করবেন না। এক্ষেত্রে আপনি নকল তথ্য দিয়ে চাকরি পেয়ে গেলেও পরে গিয়ে ভুগতে হতে পারে।

সিভি লেখার নিয়ম

চলুন এবার জেনে নিই সিভি লেখার নিয়ম।

সিভি কিভাবে লিখতে হয় – সিভি লেখার নিয়ম – How to write a CV

সিভিতে সাধারণত একজন ব্যক্তির জীবনবৃত্তান্তকেই তুলে ধরা হয়। সিভিতে কিছু ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, ইত্যাদির উল্লেখ থাকে। এই সকল বিষয় একসাথে করলেই সিভি তৈরী হয়ে যায়। একটি সিভি’র প্রধান অংশসমুহ সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।

ব্যক্তিগত তথ্য

সিভিতে সর্বপ্রথম আপনার নাম উল্লেখ করতে হবে। সিভিতে উল্লেখ করা নাম ও আপনার একাডেমিক সার্টিফিকেটে থাকা নাম অবশ্যই একই রাখবেন। নামের পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য, যেমনঃ জন্মতারিখ, ইমেইল, মোবাইল নাম্বার, ইত্যাদি সিভিতে থাকা জরুরি।

সঠিকভাবে স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা সিভিতে উল্লেখ করাও বাধ্যতামূলক। উল্লিখিত তথ্যের পাশাপাশি সিভিতে অবশ্যই সম্প্রতি তোলা আপনার একটি ছবি যুক্ত করবেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতাসমুহ সঠিকভাবে সিভিতে উল্লেখ করুন। তবে অপ্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান থেকে বিরত থাকুন। যেমনঃ আপনি এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে কত নাম্বার করে মার্কস পেয়েছেন, তা উল্লেখ করা নিতান্তই অপ্রয়োজনীয়। তাই সংক্ষেপে সুন্দরভাবে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা সার্টিফিকেট অনুসারে সিভিতে যোগ করুন।

সিভিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা লেখার ক্ষেত্রে ডিগ্রির নাম, কোর্স এর সময়কাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বোর্ড এর নাম, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের বছর, ফলাফল, ইত্যাদি তথ্য নির্ভুলভাবে প্রদান করুন।

এছাড়াও চাকরি ও আপনার যোগ্যতার সাথে মিল রেখে অপ্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা সিভিতে যুক্ত করা থেকে বিরত থাকুন। যেমনঃ কোনো চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে মাস্টার্স ডিগ্রি পাস করা অত্যাবশকীয় হলে, এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতায় আপনার পিইসি পরীক্ষার ফলাফল উল্লেখ করা অপ্রয়োজনীয়।

আরো জানুনঃ লিংকডইন – চাকরি খুঁজতে ও পেশাগত উন্নয়নে প্রফেশনালদের ‘ফেসবুক’

অভিজ্ঞতা

আপনি পূর্বে কোন প্রতিষ্ঠানে, কি পদে, কত বছর ধরে কর্মরত ছিলেন; সেটি সিভিতে উল্লেখ করা একান্ত জরুরি। পূর্ববর্তী কাজের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের নাম, চাকরিকালীন পদবী, চাকরির সময়, ভালো অর্জন, ইত্যাদি তথ্য প্রদান করুন।

দক্ষতা

আপনার অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি চাকুরি পাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার দক্ষতাই সবচেয়ে বেশি কাজে আসে। ভাষাগত দক্ষতা অবশ্যই সিভিতে উল্লেখ করুন। এছাড়াও আইল্টস বা টোফেল এর মতো পরীক্ষায় অংশ নিয়ে থাকলে সেটিও সিভিতে উল্লেখ করতে পারেন।

বর্তমান যুগ যেহেতু কম্পিউটারের যুগ, তাই যেকোনো চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে কম্পিউটার সম্পর্কিত বিভিন্ন দক্ষতা থাকা দরকার। তবে এক্ষেত্রে সংক্ষেপে আপনার দক্ষতা গুছিয়ে উল্লেখ করার চেষ্টা করুন।

এসবের পাশাপাশি আপনার অর্জিত যেকোনো দক্ষতার কথাও ক্ষেত্রবিশেষে সিভিতে উল্লেখ করা যেতে পারে। যেমনঃ আপনি যদি স্কুল বা কলেজে থাকাকালীন স্কাউট কিংবা বিএনসিসি তে যুক্ত থাকেন, তবে সেসব অভিজ্ঞতাও সিভিতে তুলে ধরতে পারেন।

অবজেকটিভ

আপনি যে পদে চাকরির জন্য আবেদন করছেন, সে পদে চাকরিতে নিয়োগের পর আপনি কিভাবে দায়িত্ব পালন করবেন; সে সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা সিভিতে উল্লেখ করুন। সিভির এই অংশ সাধারণ ২-৪ লাইনের হয়ে থাকে।

চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অবজেকটিভ অত্যন্ত জরুরি একটি বিষয়। যদিও অনেকেই এটি কপিপেস্ট করে থাকে। কিন্তু এটা নিজে থেকে নির্ভুলভাবে লিখতে জানাটা একান্ত জরুরি। এমনও হয় যে অনেকে যে অবজেকটিভ লিখে রাখে তার মানে সে নিজেই জানেনা- কারণ সে ওটা অন্য কোথাও থেকে কপি করে এনেছে। এমনটি হলে ইন্টারভিউ বোর্ডে বিব্রতকর পরিস্থিতে পড়তে পারেন।

শখ

সিভিতে আপনার শখসমুহ উল্লেখ করা যদিও বাধ্যতামূলক নয়, তবে চাকুরিদাতাকে আপনার বিভিন্ন বিষয়ে আগ্রহের ব্যাপারে ধারণা দিতে সিভিতে আপনার শখ সম্পর্কে উল্লেখ করতে পারেন।

রেফারেন্স

সিভিতে রেফারেন্স হিসেবে এক বা একাধিক ব্যক্তির উল্লেখ রাখা জরুরি। আপনি সদ্য বা সর্বশেষ যে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করেছেন, সেখানের কোনো শিক্ষককেও রেফারেন্স হিসেবে সিভিতে যুক্ত করতে পারেন। এছাড়াও যে প্রতিষ্ঠানে আবেদন করছেন, সে কোম্পানিতে যদি আপনার পরিচিত কেউ উল্লেখযোগ্য পদে চাকুরিরত থাকেন; সেক্ষেত্রে তাকেও রেফারেন্স হিসেবে সিভিতে যুক্ত করতে পারেন।

👉 সিভি লেখা ও ইন্টারভিউ প্রস্তুতি বিষয়ক কোর্স (আয়মান সাদিকের কোর্স, যা সীমিত সময়ের জন্য ফ্রি)

সিভি তৈরী করার নিয়ম – How to create a CV

সিভি লেখার নিয়ম তো আমরা শিখে গেলাম। এবার কথা হচ্ছে, সিভি আসলে তৈরী করবেন কিভাবে। সিভি যেহেতু প্রফেশনাল কাজে ব্যবহৃত হয়, তাই সিভির ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রিন্টেড কপি চাকরির আবেদনে সাবমিট করাই শ্রেয়। এছাড়া অনলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে সফট কপি হিসেবে পিডিএফ ফাইল আপলোড করতে পারেন।

একাধিক উপায়ে সিভি তৈরী করা যেতে পারে। জনপ্রিয় ডকুমেন্ট এডিটর সফটওয়্যার, এমএস ওয়ার্ড দিয়ে সিভি তৈরী সম্ভব। এছাড়াও Google Docs ব্যবহার করে ব্রাউজার থেকেও মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর মতো করেই সিভি তৈরি করা যাবে। এখানে ক্লিক করে বিভিন্ন সিভি ও রেজ্যুমের টেম্পলেট বা স্যাম্পল দেখতে পারেন। আপনি চাইলে সেগুলোর ডিজাইন অনুসরণ করতে পারেন।

এসবের পাশাপাশি অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহার করেও সিভি তৈরী করা যায়। ResumonkResume.io হলো অনলাইনে সিভি তৈরী করার জনপ্রিয় দুইটি ওয়েবসাইট। এছাড়া লিংকডইন ব্যবহার করেও সকল তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করে পিডিএফ আকারে সিভি ডাউনলোড করা যায়।

যেকোনো ক্ষেত্রে অনলাইনে সিভি সাবমিট করার সময় অবশ্যই পিডিএফ (PDF) ফরম্যাটে সিভি সাবমিট করুন। আর কাগজের সিভি সাবমিট করার ক্ষেত্রে প্রিন্ট করার সময় অবশ্যই ভালো কাগজ ব্যবহার করুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join 5,570 other subscribers

[★★] প্ৰযুক্তি নিয়ে লেখালেখি করতে চান? এক্ষুণি একটি টেকবাজ একাউন্ট খুলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে পোস্ট করুন! techbaaj.com ভিজিট করে নতুন একাউন্ট তৈরি করুন। হয়ে উঠুন একজন দুর্দান্ত টেকবাজ!

6 comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.