৩০ এপ্রিলের মধ্যে সকল সিম নিবন্ধন কি সম্ভব?

By -

sim mobile

সরকারের নির্ধারণ করে দেয়া সময় ৩০ এপ্রিলের মধ্যে মোবাইল ফোনের সব গ্রাহকের সিম নিবন্ধন করা “সম্ভব নয়” বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ টেলি-রিচার্জ অ্যাসোসিয়েশন। প্রথম আলোর খবর। সংগঠনটি বলছে, ইতিমধ্যে মাত্র ৪০ ভাগ সিম নিবন্ধন হয়েছে। সুতরাং এখনও অর্ধেকের বেশি সিম নিবন্ধন বাকী। সংগঠনটির সদস্যরা মোবাইল ফোনে ব্যালেন্স রিচার্জের পাশাপাশি বায়োমেট্রিক সিম রেজিস্ট্রেশনের কাজও করছেন।

গত বছর ডিসেম্বরে শুরু হওয়ার পর চলতি মাসের ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত ৫ কোটি ৪৫ লাখ সিম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুনরায় নিবন্ধিত হয়েছে বলে ১০ এপ্রিল রোববার জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

বাংলাদেশে গ্রাহকদের হাতে থাকা মোট সিমের সংখ্যা  ১৩ কোটি ১৯ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ১৬ কোটি জনসংখ্যার এই দেশে ১৩ কোটির বেশি সিম পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করতে গ্রাহক ও অপারেটরগুলোর ব্যস্ত সময় পার হচ্ছে। যদিও প্রকৃতপক্ষে নিবন্ধন করা হতে পারে এর চেয়ে কম সিম, কেননা এর মধ্যে কারও কারও সিম হারিয়ে গেছে, নষ্ট হয়ে গেছে বা কেউ কেউ একাউন্ট রিচার্জ না করে সিমের মেয়াদ শেষ করে ফেলেছেন।

বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে সব ভালোভাবে শেষ করতে আর মাত্র ২ সপ্তাহের মধ্যে সংখ্যার দিক দিয়ে ৬ কোটির বেশি সিম নিবন্ধন করাতে হবে। এটা না পারলে কী ব্যবস্থা হবে তাও জানিয়েছেন তারানা হালিম। তিনি বলেছেন, “আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন শেষ করব। এর মধ্যে যেগুলোর নিবন্ধন হবে না- সেগুলোর গ্রাহককে নিবন্ধনে বাধ্য করতে কয়েক ঘণ্টা করে সিম বন্ধ ও এসএমএস দিয়ে সতর্ক করা হবে।”

অপরদিকে অনিবন্ধিত সিমের দায়ে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকে জরিমানার মুখোমুখি করার বিধান কার্যকর করা হবে বলেও এর আগে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। এক্ষেত্রে প্রতিটি অনিবন্ধিত সিমের জন্য ৫০ ডলার (প্রায় ৩৮০০ টাকা) করে জরিমানা গুণতে হবে মোবাইল অপারেটরগুলোকে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর খবরে জানা যায়, মে মাস থেকেই এই বিধান কার্যকর হওয়ার কথা বলেছেন প্রতিমন্ত্রী।

Comments

Leave a Reply