পাসওয়ার্ড ব্যবস্থাকে বিদায় করতে পারে স্মার্টফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট

smartphone securityপ্রযুক্তি বিশ্বে বহুদিন যাবত অ্যাপলের স্মার্টফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি ব্যবহারের গুজব আলোচিত হয়ে আসছে। কিন্তু আইফোনের সর্বশেষ ভার্সনে এরকম কোন চমক দেখা না গেলেও পরবর্তীতে এর সম্ভাবনা অনেক বেশি। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে অ্যাপল ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে বায়োমেট্রিক সিক্যুরিটি কোম্পানি অথেনটেক কিনে নেয়। ধারণা করা হচ্ছে, নতুন এই প্রযুক্তি থেকে ফিঙ্গার প্রিন্ট, আইরিশ স্ক্যান প্রভৃতি ফিচার আইফোন সহ কোম্পানিটির অন্যান্য পণ্যে চালু করাটা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

পরবর্তী আইফোন মডেলে (হতে পারে আইফোন ৫এস) এধরণের অত্যাধুনিক কোন ফিচার সূচনা করে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে পারে অ্যাপল। এক্ষেত্রে ডিভাইসটির হোম বাটনের নীচে একটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিকগনিশন চিপ থাকলেও থাকতে পারে।

গত বছর এন্ড্রয়েড ভিত্তিক গ্যালাক্সি এস থ্রি থেকে শুরু করে স্যামসাংও তাদের স্মার্টফোনের নিরাপত্তা বৃদ্ধির ব্যাপারে সচেষ্ট হয়েছে। কোরিয়ান কোম্পানিটির “ফেস আনলক” ফিচার ক্যামেরা ব্যবহার করে মালিকের চেহারা মিলিয়ে আনলকড হয়। তবে এই প্রযুক্তির একটি বড় অসুবিধা হচ্ছে, ফেস আনলককে নির্ধারিত ব্যক্তির ছবি দেখিয়েই বোকা বানানো সম্ভব। সুতরাং এর উপর খুব বেশি ভরসা করা যায়না।

অ্যাপল আইফোনের মত, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ফোরেও ভয়েস রিকগনিশন সুবিধা রয়েছে যা লক-আনলকে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এতে কোন একটি নির্দিষ্ট কন্ঠ আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে না পারায় সীমাবদ্ধতা থেকেই যাচ্ছে। আশা করা হচ্ছে শীঘ্রই এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা যাবে।

দিন দিন নিরাপত্তার জন্য জটিল থেকে জটিলতর পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেও অনাকাঙ্ক্ষিত এক্সেস ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে লোকজন। আবার শক্ত পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়েও বিপত্তির শিকার হচ্ছেন কেউ কেউ। এসব থেকে মুক্তি পেতে এখন দরকার নতুন কিছু। দেখা যাক কবে নাগাদ আমরা নতুন এবং আরও নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা পেতে পারি।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join 3,359 other subscribers

Comments