চালু হচ্ছে মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটিঃ একই নম্বরে সকল অপারেটর!

Bangladesh-Mobile-Operators and BTRCমোবাইল নম্বর অপরিবর্তিত রেখেই যেকোন অপারেটরের গ্রাহক হতে পারবেন বাংলাদেশের মোবাইল ফোন ভোক্তারা। একই নম্বরের অধীনে সুবিধামত অপারেটরের নেটওয়ার্কে যাওয়ার এই পদ্ধতিটি “মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি” বা এমএনপি বলে পরিচিত। বহুদিন ধরে অপেক্ষমাণ এই ফিচারটির জন্য অবশেষে চূড়ান্ত নির্দেশনা দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি); সংস্থাটির চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ ২৪ ডট কমকে বলেন, “অপারেটরদের জন্য এমএনপি নির্দেশনা চূড়ান্ত করা হয়েছে, আগামী কমিশন বৈঠকে নির্দেশনা অনুমোদন হবে”; অনুমোদনের পরে গ্রাহকরা খুব দ্রুতই সেবাটি উপভোগ করতে পারবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটিতে গ্রামীণফোনের অনাগ্রহ!

তবে গ্রাহক সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন বলছে, মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি চালু হলে শিল্পটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। প্রায় ৪ কোটির বেশি গ্রাহক বিশিষ্ট এই কোম্পানিটির সিইও বিবেক সুদ সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এমএনপি চালু হলে দেশের মোবাইল ফোন খাত বাধাগ্রস্ত এমনকি ধ্বংসও হয়ে যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন।

এই মুহুর্তে দেশের ছয় অপারেটরের মধ্যে মোবাইল নম্বর অপরিবর্তিত রেখে যেকোন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার সুযোগ নেই। ফলে তুলনামূলক কম কলরেট পেতে গ্রাহকরা একই সময়ে বিভিন্ন কোম্পানির সংযোগ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। এক্ষেত্রে একাধিক সিম চালু রাখতে সক্ষম এরকম হ্যান্ডসেটের কদর দিন দিন বেড়েই চলছে।

বিটিআরসির একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাত দিতে বিডিনিউজ ২৪ ডট কম আরও জানাচ্ছে, এমএনপি সঙ্ক্রান্ত নির্দেশনা জারির ৬ মাসের মধ্যেই ভোক্তাদের উক্ত সুবিধা দেয়ার জন্য মোবাইল অপারেটরগুলোকে প্রস্তুতি নিতে হবে।

অ্যামেরিকা, ইউরোপ এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত-পাকিস্তানেও মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি সুবিধা   চালু আছে। এই ফিচারটি উপভোগ করতে হলে একটি নির্দিষ্ট ফি দিয়ে তা চালু করে নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত ব্যবহার করার দরকার হয়। সেই সাথে নেটওয়ার্ক কোম্পানিগুলোর মধ্যে অর্থ ভাগাভাগির বিষয়টি তো থাকেই।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join 3,009 other subscribers

Comments