৭৯ শতাংশ ফোন ম্যালওয়্যার আক্রমণের টার্গেট এন্ড্রয়েড ওএস!

andrslkdjalগত বছর বিশ্বব্যাপী মোবাইল প্ল্যাটফর্মে যে পরিমাণ ম্যালওয়্যার আক্রমণ সংঘটিত হয়েছে তার ৭৯ শতাংশের লক্ষ্যবস্তুই ছিল এন্ড্রয়েড ডিভাইস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিক্যুরিটি (ডিএইচএস) এবং ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

ঐ রিপোর্ট অনুযায়ী, নকিয়ার সিম্বিয়ান ওএস চালিত স্মার্টফোন এ ধরনের আক্রমণের দিক থেকে দ্বিতীয় (১৯ শতাংশ ম্যালওয়্যার এটাক) অবস্থানে ছিল। আর অ্যাপল আইওএস ডিভাইস সমূহে ০.৭ শতাংশ ম্যালওয়্যার আক্রমণ হয়েছিল।

গুগল নির্মিত এন্ড্রয়েড হচ্ছে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বহুল-ব্যবহৃত মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ঐ প্রতিবেদন বলছে, সফটওয়্যারটির জনপ্রিয়তা এবং ওপেন সোর্স স্ট্রাকচারের কারণে এটি আরও বেশি আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে।

এন্ড্রয়েড ম্যালওয়্যার নিয়ে আমাদের আগের পোস্টগুলো পড়লে নিশ্চয়ই “ব্যাড নিউজ বাগ” এর কথা মনে আছে।  যেসব ফোনে ব্যাডনিউজ যুক্ত এপ্লিকেশন (ম্যালওয়্যার) ইনস্টল করা হয়েছে সেগুলো থেকে প্রিমিয়াম রেটের টেক্সট মেসেজ পাঠিয়ে ব্যবহারকারীর আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হত।

মার্কিন ঐ মেমোতে আরও উল্লেখ আছে, প্রায় ৪৪ শতাংশ এন্ড্রয়েড ইউজার সফটওয়্যারটির পুরাতন ভার্সন ব্যবহার করেন। এগুলো মূলত ভার্সন ২.৩.৩ থেকে ২.৩.৭ (জিঞ্জারব্রেড) যা কিনা ২০১১ সালে রিলিজ হয়েছিল।

এছাড়া চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে এন্ড্রয়েডে “মাস্টার কি বাগ” নামক আরেকটি নিরাপত্তা ত্রুটি আবিষ্কৃত হয় যা কিনা চার বছর আগেই ভার্সন ১.৬ ডোনাট থেকে প্ল্যাটফর্মটিতে বাসা বেঁধে আছে। এটি ব্যবহার করে কোন এন্ড্রয়েড এপের ক্রিপ্টোগ্রাফিক সিগনেচার না ভেঙ্গেই এর এপিকে কোড মডিফাই করা সক্ষম। এই ত্রুটি সফটওয়্যারটি চালিত প্রায় ৯৯ শতাংশ ডিভাইসের জন্যই হ্যাকিংয়ের কারণ হতে পারে

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join 7,264 other subscribers

[★★] প্ৰযুক্তি নিয়ে লেখালেখি করতে চান? এক্ষুণি একটি টেকবাজ একাউন্ট খুলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে পোস্ট করুন! techbaaj.com ভিজিট করে নতুন একাউন্ট তৈরি করুন। হয়ে উঠুন একজন দুর্দান্ত টেকবাজ!

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.