৩জি (থ্রিজি, ৩জি বা 3G)

3g comes to bd ..৩জি হচ্ছে তৃতীয় প্রজন্মের তারবিহীন মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি। এটি থ্রিজি, ৩জি বা 3G হিসেবেও প্রকাশ করা হয়। থ্রিজি নেটওয়ার্ক ভিডিও কল, ভিডিও স্ট্রিমিং, অনলাইন টিভি, দ্রুতগতির ব্রাউজিং প্রভৃতি উপভোগ করার জন্য বেশ উপযোগী।

৩জি প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে কমপক্ষে ২০০ কিলোবিট হারে (200 kbps) তথ্য আদান প্রদান করা সম্ভব। ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন বা আইটিইউ থেকে থ্রিজির কোনো স্ট্যান্ডার্ড স্পিড নির্ধারণ করা হয়নি। বিবেচনা করা হয়, থ্রিজি স্ট্যান্ডার্ড হতে হলে নেটওয়ার্কের অবশ্যই কমপক্ষে 2 mbps পিক স্পিড থাকতে হবে। যদিও এক এক দেশে এটি এক এক রকম সংজ্ঞায়িত হতে পারে।

প্রথম প্রজন্মের (১জি বা ওয়ানজি) মোবাইল নেটওয়ার্কের সূচনা ১৯৮০ সালে। এরপর স্টার্ডার্ড টু’জি (২জি) বা দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক আসে ১৯৯০ এর দিকে। ১৯৯৮ সালে প্রথম প্রাক-বাণিজ্যিক থ্রিজি নেটওয়ার্ক চালু করে জাপানের কোম্পানি এনটিটি ডোকোমো। ২০০১ সালের মে মাসে পরীক্ষামূলকভাবে এটি চালু করা হয়। বাণিজ্যিকভাবেও প্রথম থ্রিজি চালু করে এনটিটি ডোকোমো। এটি চালু হয় ২০১১ সালের ১ অক্টোবর।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

[★★] প্ৰযুক্তি নিয়ে লেখালেখি করতে চান? এক্ষুণি একটি টেকবাজ একাউন্ট খুলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে পোস্ট করুন! techbaaj.com ভিজিট করে নতুন একাউন্ট তৈরি করুন। হয়ে উঠুন একজন দুর্দান্ত টেকবাজ!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.