ফিলিপস তৈরি করেছে বিশ্বের সবচেয়ে কম বিদ্যুৎক্ষয়ী বাতি!

led tubeইলেকট্রনিকস কোম্পানি ফিলিপস বিশ্বের সবচেয়ে কম বিদ্যুৎক্ষয়ী বাতি তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবী অনুযায়ী তাদের গবেষণাগারে নির্মিত নতুন ধরণের টিউব এলইডি ল্যাম্প সাধারণ বিকল্পের তুলনায় অর্ধেক শক্তি ব্যবহার করে সমান আলো প্রদানে সক্ষম। এগুলো বাসাবাড়ি, অফিস এবং অন্যান্য স্থানে লাইটিং বাবদ সংঘটিত খরচকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমিয়ে আনতে পারবে। বিবিসি অনলাইনের খবর।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানাচ্ছে, বিশ্বের মোট বিদ্যুৎ খরচের ১৯ শতাংশেরও বেশি ব্যবহৃত হয় আলোক সরবরাহের কাজে।

ফিলিপসের এই পরীক্ষামূলক এলইডি টিউব লাইটটি প্রতি ওয়াটের বিনিময়ে ২০০ লুমেন আলো দেয়। অপরদিকে সাধারণ স্ট্রিপ লাইট দিতে পারে ১০০ লুমেন/ওয়াট এবং বাল্বের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ আরও কম- মাত্র ১৫ লুমেন/ওয়াট।

এলইডি’র স্থায়িত্বকাল প্রায় ১০০,০০০ ঘন্টা!

ফিলিপস আশা করছে, তাদের নতুন আবিষ্কার শিল্প কারখানা এবং অফিসে ব্যাপকহারে ব্যবহৃত ফ্লুরোসেন্ট টিউব লাইটকে প্রতিস্থাপন করবে, যা পৃথিবীর সমস্ত লাইটিংয়ের অর্ধেকের বেশি অংশ দখল করে আছে। কোম্পানিটির প্রত্যাশানুযায়ী তারা ২০১৫ সালের মধ্যেই পণ্যটি বাজারজাত করতে সক্ষম হবে।

এলইডি এর পূর্ণরূপ হচ্ছে লাইট ইমিটিং ডায়োড যা সচরাচর ব্যবহৃত বাল্বের তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। এগুলোতে উষ্ণতাজনিত কারণে কম শক্তি ব্যয় হয়ে থাকে। সাধারণত ইলেকট্রনিক যন্ত্রে নির্দেশক হিসেবেই এলইডির প্রচলন বেশি। প্রথমদিকে শুধুমাত্র লাল আলো বিচ্ছুরণকারী এলইডি পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে অন্যান্য বর্ণও এতে উপলভ্য করা হয়।

এলইডি লাইটের স্থায়িত্বকাল অনেক। এগুলো প্রায় ১০০,০০০ ঘন্টা পর্যন্ত আলো দিতে পারে। কিন্তু সাধারণ লাইট বাল্ব এবং সিএফএলের ক্ষেত্রে এই সময়কাল হচ্ছে যথাক্রমে ১০০০ এবং ১৫০০০ ঘন্টা। হলুদাভ আলোর (প্রথাগত বাল্ব) এর তুলনায় এলইডি ৯০ শতাংশ শক্তি সাশ্রয়ী। তাই প্রাথমিক সেটআপ খরচ একটু বেশি হলেও বিদ্যুৎ বিল কম হওয়ায় অনেকেই এগুলো পছন্দ করেন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join 7,602 other subscribers

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.