আরও ৫ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অনুমোদন, ‘কয়লা সবচেয়ে সস্তা’: অর্থমন্ত্রী

Coal_ Power Stationসুন্দরবনের কাছে বাগেরহাটের রামপালে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মিতব্য ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে সমালোচনার মধ্যেই আরও ৫টি কয়লা নির্ভর পাওয়ার স্টেশন স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। রোববার এ বিদ্যুতকেন্দ্রগুলো স্থাপনের জন্য স্পন্সর (উদ্যোক্তা) নিয়োগের আর্থিক দরপ্রস্তাবের অনুমোদন আসে।

বিল্ড-অন-অপারেট (বিওও) প্রক্রিয়ায় প্রস্তাবিত এ ৫ কেন্দ্রের মধ্যে ৩টি করবে ওরিয়ন গ্রুপ, ২টি করবে এস আলম গ্রুপ। নির্মাণ, কয়লা আমদানি ও উৎপাদনের সকল খরচ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলোই বহন করবে। এগুলো থেকে উৎপাদিত প্রতি ১ ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য হবে ৬-৭ টাকা।

ওরিয়ন গ্রুপের পাওয়া ৩ কেন্দ্রের মধ্যে ঢাকা এলাকায় ৬০০-৮০০ মেগাওয়াট  ও ১০০-৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি এবং চট্টগ্রাম এলাকায় ১০০-৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি কেন্দ্র রয়েছে।

অপরদিকে এস আলম গ্রুপ চট্টগ্রাম এলাকায় ৬০০-৮০০ মেগাওয়াট এবং বরিশালে ১০০-৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি কেন্দ্র নির্মাণ করবে।

আগেই জেনে থাকার কথা, রামপালে নির্মিতব্য কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির বিরোধিতা করে আসছে বামপন্থী কয়েকদিল দল ও সংগঠন। তারা বলছে, সুন্দরবন থেকে ১৪ কিমিঃ দূরত্বে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্থাপিত হলে তা বনের পরিবেশ-প্রতিবেশের জন্য হুমকি হবে।

কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র সঙ্ক্রান্ত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, “কয়লা সবচেয়ে সস্তা। আমরা এটা ব্যবহারের চেষ্টা করছি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, যে দূরত্বে এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে তা ‘কোয়াইট সাফিশিয়েন্ট’।

২২ অক্টোবর রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হবে বলে দেয়া সরকারী ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় এটা বন্ধ করার জন্য ১১ অক্টোবর পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আই ডোন্ট কেয়ার দিস আল্টিমেটাম। এটাকে ইউজলেস বলেই মনে করি আমরা। এটা কান্ট্রির ইন্টারেস্টের সঙ্গে রিলেভেন্ট না।”

তথ্যসূত্রঃ বিডিনিউজ২৪ ডটকম, সমকাল, কালের কণ্ঠ

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join 3,105 other subscribers

Comments