সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি – ২০১৬ (বাংলাদেশ)

By -

ramadan wপবিত্র রমযান হল ইসলামিক বর্ষপঞ্জিকা অনুসারে নবম মাস। এটি সংযমের মাস। এই মাসে বিশ্বব্যাপী মুসলিমগণ সাওম পালন করে থাকেন। রমজান মাসে সাওম বা রোজা পালন ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে তৃতীয়তম। রমজান মাসের শেষদিকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে শাওয়াল মাসের ১ তারিখে মুসলমানগণ ঈদুল-ফিতর পালন করে থাকেন।

এখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার জন্য সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী (হিজরি ১৪৩৭, ইংরেজি ২০১৬) তুলে ধরা হল। নিচে ছকগুলো ইমেজ হিসেবে দেয়া হয়েছে। ছক বড় করে দেখতে চাইলে ছবির উপর ক্লিক করুন। প্রদত্ত প্রথম ছকে সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী শুধুমাত্র ঢাকা জেলার জন্য প্রযোজ্য। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার সাথে ঢাকা জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য আছে। ঢাকার সময়ের সাথে কিছু সময় যোগ বা বিয়োগ করে অন্যান্য কতিপয় জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী পাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে, ঢাকার সময়ের সাথে কত মিনিট যোগ বা বিয়োগ করলে অন্য জেলার সেহরি ও ইফতারের সময় পাওয়া যাবে তা জানতে এই পোস্টের দ্বিতীয় ছক দেখুন।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join 1,726 other subscribers

 

প্রথম ছকঃ ঢাকা জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী

sehri-iftar2016

বি.দ্র.: সেহরির শেষ সময় সতর্কতামূলকভাবে সুবহি সাদিকের তিন মিনিট আগে ধরা হয়েছে এবং ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে সুবহি সাদিকের তিন মিনিট পর। অতএব, সেহ্‌রির সতর্কতামূলক শেষ সময়ের ছয় মিনিট পর ফজরের আজান দিতে হবে। সূর্যাস্তের পর সতর্কতামূলকভাবে তিন মিনিট বাড়িয়ে ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

দ্বিতীয় ছকঃ ঢাকার সময়ের সঙ্গে অন্যান্য এলাকার পার্থক্যের ছক

sehri-iftar2016-time-adjust

 

ASUS Ad

সূত্রঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (১), (২) 

       
প্রযুক্তির সব তথ্য জানতে ভিজিট করুন www.banglatech24.com সাইট। নতুন পোস্টের নোটিফিকেশন ইমেইলে পেতে এই লিংকে গিয়ে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

 

Comments

Leave a Reply