অ্যাপল “বাউন্স-ব্যাক” পেটেন্ট চূড়ান্তভাবে প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষ

By -

Apple-logoগতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র পেটেন্ট অফিস টেক জায়ান্ট অ্যাপলের জন্য কিছু দুঃসংবাদ বয়ে এনেছে। সংস্থাটি অ্যাপলের “বাউন্স-ব্যাক” পেটেন্টকে চূড়ান্তভাবে অকার্যকর বা ইনভ্যালিড বলে সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে। ইউএসপিটিও (ইউনাইটেড স্টেটস পেটেন্ট এন্ড ট্রেডমার্ক অফিস) বাউন্স-ব্যাক সংশ্লিষ্ট প্রায় সকল যুক্তিতর্ক বাতিল বলে গণ্য করেছে। এই ইনভ্যালিডেশন সাম্প্রতিককালে অ্যাপলের বেশ কয়েকটি পেটেন্ট ও মেধাস্বত্ব বিষয়ক আইনী প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক ফলাফলের অংশ।

বাউন্স-ব্যাক স্বত্বের আওতায় তৈরি ফিচারে অ্যাপল পণ্যের স্ক্রিনে প্রদর্শিত কনটেন্টসমূহ একপ্রান্তে টেনে ছেড়ে দিলে সেগুলো রাবার-ব্যান্ডের মত পুনরায় বাউন্স করার ইফেক্ট দেখায়। এই পেটেন্টটি বেস্ট সেলার এন্ড্রয়েড ডিভাইস নির্মাতা স্যামসাং বনাম আইফোন প্রস্তুতকারী অ্যাপলের ঐতিহাসিক বিলিয়ন ডলার ট্রায়ালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ঐ সময় বাউন্স-ব্যাক ইউটিলিটি পেটেন্ট ভঙ্গের অভিযোগে অ্যাপল প্রতিদ্বন্দ্বী স্যামসাংয়ের ২০টির বেশি স্মার্টফোন এবং ২টি ট্যাবলেটকে অভিযুক্ত করেছিল।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

Join 1,460 other subscribers

তবে ইউএসপিটিও কর্তৃক “ফাইনাল রিজেকশন কল” পেলেও অ্যাপলের নিকট এখনও আইনী পথ খোলা রয়েছে। যদিও এতে ঠিক কতটা লাভ হবে কিংবা অ্যাপলের জন্য আদৌ কোন ইতিবাচক ফলাফল আসবে কিনা সেটিও দেখার বিষয়।

এক্ষেত্রে প্রথমেই পেটেন্ট অফিসের সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোম্পানিটি তাদের প্রতিক্রিয়া পাঠাবে। এতে কাজ না হলে (সাধারণত এটি তেমন কোন কাজ করেনা) তারা পেটেন্ট ট্রায়াল এবং আপিল করবে। তাতেও ফলাফল অ্যাপলের পক্ষে না এলে ইউএস কোর্ট অফ অ্যাপীলে অভিযোগপত্র দাখিল করতে হবে।

এসব প্রক্রিয়া বেশ সময়সাপেক্ষ। তবে শেষ পর্যন্তও যদি অ্যাপলের “বাউন্স-ব্যাক” পেটেন্ট ইনভ্যালিড থেকে যায়, তাহলে বিলিয়ন ডলার ট্রায়ালে স্যামসাংয়ের বিরুদ্ধে নির্ধারিত জরিমানা আরও একদফা কমে যেতে পারে। কেননা এসব বিষয় পর্যালোচনা করেই উক্ত ক্ষতিপূরণ ধার্য্য করা হয়েছিল।

কিছুদিন আগেই হয়ত জেনে থাকবেন, স্যামসাং সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে এক পর্যায়ে পহেলা মার্চ ২০১৩ শুক্রবার কোর্ট পূর্বে ধার্য্যকৃত জরিমানার ৪০ শতাংশের বেশি কমিয়ে দিয়েছেন। সর্বশেষ আইনী প্রক্রিয়া অনুযায়ী এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হচ্ছে ৫৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বাউন্স-ব্যাক পেটেন্ট ইস্যু পুরো বিষয়টিকে অধিকতর জটিল করে তুলেছে- যদিও স্যামসাংয়ের এতে খুশিই হওয়ার কথা।

প্রযুক্তির সব তথ্য জানতে ভিজিট করুন www.banglatech24.com সাইট। নতুন পোস্টের নোটিফিকেশন ইমেইলে পেতে এই লিংকে গিয়ে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

 

Comments

Leave a Reply